
সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট (ফাতেহ২৪):
দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণসহ সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনটি জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার আইনগত ক্ষমতা অক্ষুণ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের আলোকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের এসব দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমসহ রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমন্বয় ও তদারকি জোরদার করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দুর্নীতি নির্মূলকে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
যেসব মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ পেলেন জেলার দায়িত্ব
১. ইকবাল হাসান মাহমুদ — রাজশাহী ও নাটোর
২. ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন — লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পঞ্চগড়
৩. আব্দুল আউয়াল মিন্টু — লক্ষ্মীপুর
৪. নিতাই রায় চৌধুরী — চুয়াডাঙ্গা
৫. খন্দকার আবদুল মুক্তাদির — হবিগঞ্জ
৬. আরিফুল হক চৌধুরী — মৌলভীবাজার
৭. মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী — চট্টগ্রাম
৮. এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত — শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
৯. আসাদুল হাবিব দুলু — ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর
১০. মো. আসাদুজ্জামান — খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট
১১. জাকারিয়া তাহের — ফেনী ও নোয়াখালী
১২. সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল — মানিকগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ
১৩. সাচিং প্রু জেরী — কক্সবাজার
১৪. মো. শরিফুল আলম — টাঙ্গাইল ও নরসিংদী
১৫. শামা ওবায়েদ ইসলাম — মাদারীপুর ও শরীয়তপুর
১৬. অনিন্দ্য ইসলাম অমিত — মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ
১৭. আব্দুল বারী — বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ
১৮. সুলতান সালাউদ্দিন টুকু — ঢাকা
১৯. মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন — খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটি
২০. হাবিবুর রশিদ — গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ
২১. মো. রাজীব আহসান — বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর
২২. মীর শাহে আলম — রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম
২৩. ফারজানা শারমিন — সিরাজগঞ্জ ও পাবনা
২৪. শেখ ফরিদুল ইসলাম — যশোর, মাগুরা ও নড়াইল
২৫. ইয়াসের খান চৌধুরী — জামালপুর ও কিশোরগঞ্জ
২৬. আহমেদ সোহেল মঞ্জুর — বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি
২৭. মোহাম্মদ শামীম কায়সার — জয়পুরহাট ও নওগাঁ
২৮. আলহাজ মো. জি কে গউস — সিলেট ও সুনামগঞ্জ
২৯. মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ — রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ
৩০. এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান) — ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুর
সরকারের এ উদ্যোগের মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে সরকারি কার্যক্রমের মধ্যে আরও সমন্বয় তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে তদারকি জোরদার করার লক্ষ্য রয়েছে।
ফাতেহ২৪ ডেস্ক
