আফগানিস্তানে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে যুক্তরাষ্ট্র দায়ী: কারজাই

ফাতেহ ডেস্ক: আফগানিস্তানে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ি করলেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই। চীনা সংবাদ মাধ্যম গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ককে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমন অভিযোগ করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট আশরাফ গণির দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা চুক্তির সমালোচনা করেন কারজাই।

২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলার পর ইরাক ও আফগানিস্তানে সেনা অভিযান শুরু করে মার্কিন বাহিনী। ১৩ বছর পর ২০১৪ সালে আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আসে। কিন্তু এখনো দেশটিতে রয়েছে কয়েক হাজার বিদেশি সেনা।
যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তানের নিরাপত্তার অবনতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকেই দায়ি করলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই। বলেন, আফগানিস্তান ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান এখনো স্পষ্ট করেনি মার্কিন প্রশাসন।

আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই বলেন, “দুটি বিষয় স্পষ্ট হতে হবে। এক আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা অভিযান আর চলতে দেয়া যাবে না। তাদের অবশ্যই আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় মার্কিন ও পাকিস্তানের ভূমিকা স্পষ্ট করতে হবে। আফগানিস্তানে মার্কিন ঘাঁটি দেশের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।”

আফগানিস্তানে বিদেশি সেনা বাড়ানোর বিপক্ষে হামিদ কারজাই। ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি না করলেও পরবর্তী প্রেসিডেন্ট আশরাফ গণি এ চুক্তি করেন। দেশটিতে নিরাপত্তা সংকটের জন্য এ চুক্তিকে দায়ি করেন হামিদ কারজাই। বলেন, এতে হুমকির মুখে পড়েছে দেশের সাধারণ জনগণ।

সম্প্রতি আফগানিস্তানে তালেবান হামলা বেড়েছে। এ জন্য বিদেশি সেনা উপস্থিতিকে দায়ি করে আসছে তালেবান ও স্থানীয়রা।

এদিকে, গত সপ্তাহে ব্রাসেলসে ন্যাটো সম্মেলনে আফগানিস্তান ইস্যুতে আলোচনা হয়। এতে দেশটিতে ২০২৪ সাল সেনা রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সদস্য দেশগুলো।

বিজ্ঞাপন
আগের সংবাদহজে যে জায়গাগুলোতে দোয়া কবুল হয়
পরবর্তি সংবাদসহিংসতার আশঙ্কায় পাকিস্তানে নিরাপত্তা জোরদার