সহিংসতার আশঙ্কায় পাকিস্তানে নিরাপত্তা জোরদার

ফাতেহ ডেস্ক: পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন কেন্দ্র করে ব্যাপক সহিংসতার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ২৫ জুলাই ভোটের আগে দেশজুড়ে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নাশকতা রুখতে চালানো হচ্ছে ব্যাপক অভিযান। গণমাধ্যমকর্মী ও বিরোধীদের ধরপাকড়ের অভিযোগও রয়েছে।

২৫ জুলাই পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচন। ভোটের আগে সহিংসতা প্রতিরোধে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবে অভিযোগ উঠেছে নিরাপত্তার নামে বিরোধি নেতাকর্মীদের ধরপাকড় করা হচ্ছে।

সম্প্রতি নির্বাচনী প্রচারে আত্মঘাতী বোমা হামলায় দেড়শ’র বেশি নিহতের ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচনী সমাবেশে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত হন এএনপি নেতা হারুন বিলোর বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টির প্রার্থী সিরাজ রাইসানি। আহত হন খাইবার পাখতুনখাওয়ার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আকরাম খান দুররানি।

এরপরই বেশক’জন প্রভাবশালী নেতাসহ রাজনৈতিক নেতাদের উপর হামলার আশঙ্কার কথা জানায় পাকিস্তানের জাতীয় সন্ত্রাস দমন কর্তৃপক্ষ। হামলাকারীরা অত্যাধুনিক বিস্ফোরক ব্যবহার করতে পারে বলে জানায় সংস্থাটি। সেনা কর্মকর্তারা বলছেন যেকোনো হুমকি মোকাবেলায় প্রস্তুত তারা।

অভিযোগ উঠেছে, সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খানের তেহরিক-ই-ইনসাফ দলকে গোপনে সমর্থন দিচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী। ইমরানের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের টার্গেট করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে ইমরান এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এদিকে দুর্নীতির দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়া শরীফের ১০ বছরের জেল হওয়ায় দেশটিতে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ নির্বাচন পাকিস্তানের পরিস্থিতিকে আরো ঘোলাটে করে তুলতে পারে।

বিজ্ঞাপন
আগের সংবাদআফগানিস্তানে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে যুক্তরাষ্ট্র দায়ী: কারজাই
পরবর্তি সংবাদভারতের টকশোকাণ্ড এবং মিডিয়ার ধাপ্পাবাজি