
ফাতেহ ডেস্ক
বাংলা একাডেমীতে কবি আল মাহমুদের মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সর্বস্তরের মানুষ। বেলা ১২ টা থেকে সোয়া ১২টা পর্যন্ত বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউসের সামনে জানানো হয় শ্রদ্ধা। এর পরে কবির মরদেহ নেয়া হয় জাতীয় প্রেসক্লাবে।
সেখানে সাংবাদিকরা কবির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে হয় প্রথম জানাজা। পরে কবির মরদেহ নেয়া হয় বায়তুল মোকাররম মসজিদে। সেখানে বাদ জোহর হয়েছে দ্বিতীয় জানাজা।
আগামীকাল রোববার বাদ জোহর জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে হবে কবির দাফন। এরে আগে, বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে কবি পরিবারের পক্ষ থেকে মরদেহ শহীদ মিনারে নেয়া ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবি নজরুল ইসলামের করবের পাশে দাফনের অনুমতি চাওয়া হলেও এ বিষয়ে অনুমতি মেলেনি। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটও শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের বিষয়ে কিছু জানায়নি।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কবি আল মাহমুদকে ভর্তি করা হয় ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে। শুক্রবার রাতে মারা যান বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি নিউমোনিয়াসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। কবি আল মাহমুদের দাফনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো জানায়নি পরিবার।
সাহিত্যে অবদানের জন্য জীবদ্দশায় একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার, শিশু একাডেমি পুরস্কার, জীবনানন্দ দাশ স্মৃতি পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন কবি আল মাহমুদ।
