
মুসান্না মেহবুব
গত ১২ জানুয়ারি পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা গ্রামের বাড়ি থেকে পাশের হেতালিয়া গ্রামে নানাবাড়ি বেড়াতে যাওয়ার পথে এক মাদরাসা-ছাত্রীকে মুখ চেপে ধরে নিয়ে পানের বরজে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে সজলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা ভাণ্ডারিয়া থানায় সজলসহ দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার পর থেকে উভয় আসামি পালাতক ছিল। আজ শনিবার বেলা ২টার দিকে সজলের গুলিবিদ্ধ লাশ ঝালকাঠি জেলার বলতলা গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। খবরটি নিশ্চিত করেছেন কাঁঠালিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এনামুল হক।
তবে রহস্যের ব্যাপার হলো লাশের গলায় একটি চিরকুট ঝুলানো ছিল। চিরকুটে লেখা রয়েছে, ‘ধর্ষণের কারণে আমার এই পরিণতি।’ কয়েকদিন আগে, গত ১৮ জানুয়ারি, ঢাকার সাভারেও ঘটেছে এ রকম ঘটনা; ধর্ষণ-মামলার আসামির গুলিবিদ্ধ লাশের গলায় চিরকুট ঝুলানো।
আরও পড়ুন : ‘আমি ধর্ষণ মামলার মূলহোতা’ : লাশের গলায় ঝুলানো চিরকুট
নিহত ধর্ষক সজলের পুরো নাম সজল জোমাদ্দার (২৮)। সে পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা গ্রামের আলম জোমাদ্দারের ছেলে।
কাঁঠালিয়া থানার পরিদর্শক এনামুল হক বলেন, মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সজলের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার গলায় সুতা দিয়ে ঝুলানো একটি চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আমার নাম সজল … মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ করার কারণে আমার এই পরিণতি।’
আরও পড়ুন : স্থানীয় দুই যুবকের হাতে ধর্ষিত হলো মাদরাসা-পড়ুয়া বালিকা
