
ফাতেহ ডেস্ক
উত্তর ঢাকার মেয়র পদে উপ-নির্বাচন ও দুই সিটিতে যুক্ত হওয়া ওয়ার্ডগুলোর কাউন্সিলর নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার হচ্ছে না, জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোট হবে ২৮শে ফেব্রুয়ারি। তার আগে ৩০শে জানুয়ারির মধ্যে সরিয়ে নিতে হবে নির্বাচনী এলাকার সব প্রচার সামগ্রী। নইলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা, বলছেন ইসি সচিব।
২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর মারা যান উত্তর ঢাকার মেয়র আনিসুল হক। তার মৃত্যুতে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি নেয় নির্বাচন কমিশন।
পরে ২০১৮ সালের ৯ জানুয়ারি ডিএনসিসির মেয়র পদে উপনির্বাচন ও ঢাকার দুই সিটিতে নতুন যুক্ত হওয়া ১৮টি করে ৩৬টি ওয়ার্ডে সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিল পদে ভোটের তফসিল দেয় ইসি। সে অনুযায়ী ভোট হওয়ার কথা ছিলো ২৬ ফেব্রুয়ারি।
তবে সীমানা জটিলতার সুরাহা না করে তফসিল ঘোষণার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিট হলে ১৭ জানুয়ারি শুনানি শেষে ভোট স্থগিত করে আদালত।
এ বছরের ১৬ জানুয়ারি উপনির্বাচনের তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা সেই রিট খারিজ হলে খুলে যায় ভোটের পথ। ২২ জানুয়ারি নতুন করে তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এতে ভোট নেয়া হচ্ছে ২৮ ফেব্রুয়ারি।
আইন অনুয়ায়ী তফসিলের ৭ দিনের মধ্যে নির্বাচনি এলাকা থেকে সরিয়ে নিতে হবে ব্যানার-পোস্টার-তোরণ। সে বিবেচনায়, ৩০ জানুয়ারির মধ্যে এসব সরাতে বলেছে ইসি।
এছাড়া, এ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন–ইভিএম ব্যবহারের পরিকল্পনা নেই নির্বাচন কমিশনের। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বলে হচ্ছে না সেনা মোতায়েনও।
ইসি সচিব আরো জানাচ্ছেন, ৩৬ ওয়ার্ডে কাউন্সিল পদে নির্বাচন হলেও ২০২০ সালের মে মাসেই শেষ হবে নির্বাচিতদের মেয়াদ।
