
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বর্তমানে ভারতে বিজেপি সরকার আসার পর গোমাংস ও গো হত্যা নিয়ে প্রকাশ্যে মুসলমান ও দলিতদের খুন করা হলেও আসলে গোমাংসের বড় কোম্পানির মালিক ভারতের নাগরিক একজন ব্রাহ্মণ। তিনি নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠজনও। তার বদৌলতে বিশ্বের মধ্যে গো মাংস রপ্তানিতে ব্রাজিলকে ছিটকে নিচে ফেলে এক নম্বর স্থান দখল করেছে ভারত। ব্রাজিল আছে এখন দু নম্বর স্থানে।
মোদি সরকারের শাসনামলে ভারতের মধ্যে আর কোনো শিল্পের পদোন্নতি না হলেও গরুর মাংস শিল্পের পদোন্নতি দ্রুত শীর্ষ স্থান লাভ করেছে।
ভারতে ছয় বৃহত্তম গরুর মাংস রপ্তানিকারক সংস্থাগুলির মধ্যে চারটি হিন্দু ব্রাহ্মণ গোত্রীয়। গোমাংসের ব্যবসার মুনাফালাভ ব্রাহ্মণ গোত্র পেলেও গোমাংস ও গো হত্যা নিয়ে ৯০ শতাংশ মুসলমান ও দলিতদের দায়ী করা হয় এবং তাদের হত্যা করা হয়।
ভারতের গরুর মাংস রপ্তানিকারক সংস্থাগুলির মধ্যে প্রথম স্থান অধিকারী কোম্পানির মালিকের নাম ইন্দিরা নুয়ি। যিনি একজন তামিল ব্রাহ্মণ। ইন্দিরা নুয়িকে অনেকবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে দেখা গিয়েছিল। তখনই তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদী ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত লাভ করেন। ইন্দিরা নুয়ি যখন ভারতে আসেন প্রায় সময় বিভিন্ন বড় বড মন্দির দর্শন করতে যান এবং প্রায় মন্দিরে গিয়ে অনুষ্ঠান করেন।
এক রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যায়, দেশের মসনদে যখন থেকে মোদি সরকার আসে তখন থেকে বাইরের দেশে গোমাংস এক্সপোর্ট ১৫ শতাংশ অধিক বেড়ে যায়। মোদি সরকারের শাসনকালে বাইরের দেশে গোমাংস এতটাই রপ্তানি হয় যে বিশ্বের মধ্যে গো মাংস রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে ব্রাজিলকে টপকে এক নম্বর স্থান লাভ করে মোদি সরকারের বর্তমান ভারত।
জানা যায়, ইন্দারা নুয়ির মাংস কোম্পানির নাম পেপসিকো। যেটা ম্যাটাডোর (Matador) প্রোডাক্ট এর মাধ্যমে বাজারে সাপ্লাই হয়। ইন্দ্রা নুয়ি’র পেপসিকো কম্পানি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভালো প্রভাব বিস্তার লাভ করেছে। ম্যাটাডোর প্রোডাক্টের যত গোমাংস প্রয়োজন, অধিকাংশই রপ্তানি হয় ভারত থেকে ইন্দিরা নুয়ির কোম্পানি পেপসিকোর মাধ্যমে।
এইচআর
