খোকার ১০ বছরের কারাদণ্ড

ফাতেহ ডেস্ক : সাবেক ডিসিসি মেয়র ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকাসহ চারজনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড হয়েছে। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের (ডিসিসি) আর্থিক ক্ষতিসাধনের মামলায় তাদের বিরুদ্ধে এই রায় দেয় আদালত। একই সঙ্গে তাদের ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।

দণ্ডিত আর তিন আসামি হলেন ডিসিসির ইউনিক কমপ্লেক্স দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আবদুল বাতেন নকী, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান আজাদ ও গুডলার্ক কারপার্কিংয়ের ব্যবস্থাপক এইচএম তারেক আতিক।

দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহবুবুল আলম ২০১২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর শাহবাগ থানায় বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

গত ১৯ নভেম্বর যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের এদিন ধার্য করেন ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান খান ।

মামলার প্রধান আসামি সাদেক হোসেন খোকা পলাতক। তিনি এখন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। অন্য তিন আসামি জামিনে রয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ডিসিসির বনানী সুপারমার্কেট কাম হাউজিং কমপ্লেক্সের বেজমেন্টের কারপার্কিং ইজারার জন্য ২০০৩ সালের দরপত্র আহ্বান করেন অভিযুক্তরা ।

চারটি দরপত্রের মধ্যে বার্ষিক এক লাখ ১০ হাজার টাকায় সর্বোচ্চ দরদাতা নির্বাচিত হন মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তি। কিন্তু পরে অন্য আসামিদের সঙ্গে পরস্পর যোগসাজশে ইজারার কার্যক্রম স্থগিত করেন সাদেক হোসেন খোকা ।

এর কারণে ফেব্রুয়ারি-২০০৩ থেকে ফেব্রুয়ারি-২০১১ সাল পর্যন্ত ডিসিসির ৩০ লাখ ৮২ হাজার ৩৯৯ টাকা ক্ষতি করেন এ চারজন।

২০১২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এ ঘটনায়  রাজধানীর শাহবাগ থানায় দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহবুবুল আলম বাদী হয়ে মামলা করেন।

পরে ওই বছরে, ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে সাদেক হোসেন খোকাসহ চারজনের বিরুদ্ধে  ৮ নভেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. কামরুল হোসেন মোল্লা ২০১৫ সালের ২৯ নভেম্বরে চার্জ গঠন করে সাদেক হোসেন খোকার বিরুদ্ধে  গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে বিচারের জন্য মামলাটি  ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে পাঠানো হয়।

২০১৪ সালে সাদেক হোসেন খোকা উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগের উন্নত চিকিৎসার জন্য  যুক্তরাষ্ট্রে যান। এখনও তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন ।

আগের সংবাদপ্রতিদিন সারাবিশ্বে স্বজনদের হাতে ১৩৭ নারী খুন
পরবর্তি সংবাদযে কারণে ঐক্যফ্রন্টে আ’লীগ নেতাদের হিড়িক