
ঢাকা, ২৬ আগস্ট ২০২৬: যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে আজ সারা দেশে পবিত্র মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হচ্ছে।
১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি উপলক্ষে দিনটি পালন করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এ দিনটি সরকারি ছুটির দিন। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের স্মরণে মুসলমানরা দিবসটি পালন করে থাকেন।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। তারা দেশবাসী ও বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে শান্তি, সম্প্রীতি ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রীও মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা, ক্ষমা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
সরকারের জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন এবং সশস্ত্র বাহিনীর স্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানও জাতীয় ও রঙিন পতাকা এবং কালিমা তায়্যিবা লেখা ব্যানারে সজ্জিত করা হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সচিবালয় মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদে ধর্মীয় কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পক্ষকালব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) কর্মসূচি আয়োজন করেছে। এতে ওয়াজ মাহফিল, সেমিনার, কিরাত, হামদ-নাত, স্বরচিত কবিতা পাঠ এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতা রয়েছে। বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ চত্বরে মাসব্যাপী ইসলামি বইমেলারও আয়োজন করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমে সিরাতুন্নবী (সা.)-এর পক্ষকালব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এ ছাড়া দেশের বাইরে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাস ও মিশনগুলোতেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হচ্ছে। শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।
