
ফাতেহ ডেস্ক : আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আলোচনার জন্য সময় চেয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে দিয়েছেন বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।
অন্যদিকে সিইসির সঙ্গে আলোচনার জন্য সময় চেয়ে চিঠি দিয়েছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান।
মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) সকালে প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও পরে সিইসিকে চিঠি দুটি পৌঁছে দেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক।
তিনি বলেন, নির্বাচন সম্পর্কে আলোচনা করার জন্য বুধবারের (৭ নভেম্বর) মধ্যে দেখা করতে চেয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর আজ (মঙ্গলবার) চিঠি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে শুক্রবারের (৯ নভেম্বর) মধ্যে সংলাপ চেয়ে বিকল্পধারার মহাসচিবের স্বাক্ষরে সিইসি বরাবর আজই চিঠি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির কাছে লেখা চিঠিতে বি চৌধুরী বলেছেন, যুক্তফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আপনার (রাষ্ট্রপতির) সঙ্গে আলোচনা করতে আগ্রহী। সংবিধান অনুসারে নির্বাচনের মূল পরিচালক নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
নির্বাচনকালীন অবস্থায় নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রপতির অধীনে ন্যাস্ত। সেই হিসাবে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে আপনার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা করতে চাই।
অন্যদিকে সিইসির সঙ্গে আলোচনার জন্য সময় চেয়ে আবদুল মান্নানের দেয়া চিঠিতে নির্বাচন ইস্যুতে আলোচনার জন্য আগামী ৯ নভেম্বরের মধ্যে সময় চাওয়া হয়েছে।
গত ২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে গণভবনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সঙ্গে সংলাপ করে যুক্তফ্রন্ট।
সংলাপ সফল হয়েছে জানিয়ে ওই সময় বি চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা ভোট যেন নিরপেক্ষ হয় তার দাবি জানিয়েছি। নিরপেক্ষ আচরণ করলে এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যেতে আমাদের আপত্তি নেই।
তিনি আরও বলেন, আমরা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং এর কথা তুলে ধরেছি। নির্বাচনের সময় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সরকারি চাকরিজীবীদের নির্বাচন কমিশনের অধীনে নিতে হবে। নির্বাচন কমিশন সরকারের অধীনে থাকতে পারবে না। থাকবে প্রেসিডেন্টের অধীনে। আমাদের দাবিগুলোতে যুক্তি আছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
ইভিএমের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন এবং ভোটাররা অভ্যস্ত নয় সংলাপে এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে বলেন যুক্তফ্রন্ট প্রতিনিধি দল। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কথা বলবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন, বলেছিলেন বিকল্পধারা প্রধান।
