নিখোঁজ শিশুর নিথর দেহ মিলেছে দুই ভবনের ফাঁকে

ফাতেহ ডেস্ক

আড়াই বছরের শিশুটির নাম হালিমা। সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ভাদুঘর ভূঁইয়াপাড়ার রাজমিস্ত্রী আমির হোসেনের মেয়ে।

আজ শনিবার সকাল ৭টার দিকে বাড়িতেই খেলছিল হালিমা। হঠাৎই তার খোঁজ নেই। খোঁজ পেতে মাইকিং চলার মধ্যে দুপুর পৌনে ১টার দিকে খবর পাওয়া যায়, তার সন্ধান পাওয়া গেছে।

ছোট্ট হালিমার নিথর দেহ মিলেছে দুই ভবনের ফাঁকে। মা-বাবাতো পড়িমড়ি করে ছুটে গিয়ে জেলা শহরের ভাদুঘর ভূঁইয়াপাড়া থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউল হক জানান, নিজ বাড়িতে খেলার সময় নিখোঁজ হয় হালিমা। পরে সন্ধান চেয়ে মাইকিং করা হয়। মাইকিং চলাকালেই স্থানীয়দের মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, তাদের বাড়ি থেকে ৫০০ গজ দূরে দুটি ভবনের মধ্যবর্তী স্থানে পড়ে আছে হালিমার দেহ।

জিয়াউল হক বলেন, ‘ঘটনাস্থলে কোনো রক্ত নেই। তার শরীরের কোথাও কাটে-ছেড়েনি। আমরা ধারণা করছি, হালিমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর এখানে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।’

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে শিশু হালিমার মৃত্যুর কারণ আরও স্পষ্ট হওয়া যাবে বলে জানান পুলিশের এই পরিদর্শক।

আগের সংবাদশ্বশুর-শাশুড়িকে নির্যাতনের দায়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নারী গ্রেপ্তার
পরবর্তি সংবাদদুই তরুণ-তরুণী একে অপরকে জড়িয়ে ধরায় শাস্তি দিলো শরিয়াহ আদালত