জাতিসংঘে হামাসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

ফিলিস্তিনের ইসলামপন্থী প্রতিরোধ সংস্থা হামাসের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত একটি নিন্দা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত  হয়েছে। দখলদার ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইল ও সাম্রাজ্যবাদী যুক্তরাষ্ট্র এ প্রস্তাবকে জোরালো সমর্থন দিয়েছিল।

সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব পাস হতে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দরকার। কিন্তু এ নিন্দা প্রস্তাব সেই সংখ্যায় পৌঁছাতে পারেনি। ৮৭ দেশ পক্ষে ভোট দিলেও বিরোধিতা করেছে ৫৭টি। ফলে নিন্দা প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যাত হয়।

চলতি বছরের শেষে নিজের পদ ছাড়ার আগে জাতিসংঘের মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিক্কি হ্যালির আন্তর্জাতিক সংস্থায় হামাসের বিরুদ্ধে সর্বশেষ পদক্ষেপ ছিল এটি। নিক্কি হ্যালি চরম ইসলামবিদ্বেষী হিসেবে পরিচিত। তার মেয়াদকালে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে লজ্জাজনকভাবে ইসলাম ও মুসলিম দেশগুলোর বিরোধিতা অব্যাহত রাখেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যের শান্তির দূত জ্যাসোন গ্রিনব্লাট এ ভোটের তীব্র সমালোচনা করেছেন। এক টুইটার পোস্টে তিনি এটিকে লজ্জাজনক বলে আখ্যায়িত করেন।

তিনি বলেন, বছরের পর বছর ধরে ইসরাইলের বিরুদ্ধে আত্মঘাতী বোমা, অপহরণ ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা সত্ত্বেও হামাসের বিরুদ্ধে নিন্দা জানাতে ব্যর্থ হয়েছে জাতিসংঘ। ভোটের পর যে উচ্ছ্বাস দেখেছি, সেটিই সব কিছু বলে দিচ্ছে।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, যদিও এটি বড় কোন ঘটনা নয়। তবে এর মাধ্যমে বুঝা যায়, ফিলিস্তিনি সংগ্রামের প্রতি পৃথিবীর বিপুল পরিমাণ মানুষ সমর্থন পোষণ করেন। ফলে রাষ্ট্রগুলোর পক্ষে হামাসের বিরুদ্ধে এককাট্টা অবস্থান গ্রহণ করা এখনো সম্ভব হয়ে উঠেনি।