
ফাতেহ ডেস্ক: কওমী শিক্ষার সর্বোচ্চস্তর দাওরায়ে হাদীস (তাকমিল)-কে মাষ্টার্স ডিগ্রী (ইলামিক স্টাডিজ ও আরবী সাহিত্য)-এর মান দিয়ে মন্ত্রীসভায় আইন অনুমোদন করায় আল-হাইয়াতুল উলইয়ার চেয়ারম্যান, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ-এর সভাপতি ও হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা শাহ্ আহমাদ শফী দা.বা. মহান রব্বুল আ’লামীনের দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন প্রকাশ করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রীসভা আজ যে অনুমোদন দিয়েছেন তা ইতিহাস হয়ে রইবে বলে তিনি মনে করেন।
বিশেষত কওমী মাদরাসার অনুসৃত মূলনীতি অক্ষুন্ন রাখা এবং কোনো রকম প্রশাসনিক কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত রেখে মান প্রদানের ব্যবস্থা এগিয়ে নেওয়ার প্রশ্নটিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পরিপূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার হাত সম্প্রসারিত করেছেন। আমি আশা করি, দোয়া করি তার আন্তরিক পদক্ষেপের সু-প্রতিদান তিনি আল্লাহ তা’য়ালার কাছে লাভ করবেন এবং দেশের অসংখ্য নবীন-প্রবীন আলেমের দোয়া ও ভালোবাসা তিনি পাবেন ইনশাআল্লাহ।
আজ সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ সিদ্ধান্ত যুগান্তকারী এবং ঐতিহাসিক। এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের কোরআনী শিক্ষা এবং কওমী অঙ্গনের অসংখ্য ছাত্র/ছাত্রী উপকৃত হবে এবং দ্বীনি তালীম, দাওয়াত, শিক্ষা বিস্তার, জাতীর মানবিক ও নৈতিক সেবার ক্ষেত্রে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ মান প্রদানের বিষয়টি অনেক আনন্দদায়ক ও খুশির খবর। এর মাধ্যমে কওমী শিক্ষার্থীদের দ্বীনি খেদমতের পরিধি আরো বিস্তৃত হবে।
আজকের এই অনুমোদনে সারা দেশের সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম ও শিক্ষার্থীরা আনন্দিত ও উৎফুল্ল। তারা দোয়া করছেন আল্লাহ যেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে উত্তম বিনিময় দান করেন এবং কওমী মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক যারা এই দাবী আদায়ে দোয়া করেছেন, আন্দোলন করেছেন আল্লাহ তাদেরকেও উত্তম বিনিময় দান করুন।
আল্লামা শাহ্ আহমাদ শফী দা.বা. মন্ত্রীসভার সকল সদস্যবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সকল সচিব ও স্বীকৃতি বাস্তবায়নে গঠিত লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তাদের অভিনন্দন জানান।
তিনি কওমী সনদের মান আদায়ে সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম, শিক্ষার্থী যারা পরিশ্রম করেছেন, দাবী আদায়ে ভূমিকা রেখেছেন সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, মন্ত্রীসভায় অনুমোদিত আইন দ্রুতসময়ের মধ্যে সংসদে পাশের মাধ্যমে তা চূড়ান্ত হবে।
