
ফাতেহ ডেস্ক: মিয়ানমার বাহিনীর জাতিগত নিধন অভিযানের এক বছর পার হলেও একজন রোহিঙ্গাকেও ফেরত নেয়নি অং সান সু চির সরকার। এরপরও আশাবাদী বাংলাদেশ সরকার কিন্তু প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সংশয় কাটেনি। আর রোহিঙ্গারা অভিযোগ করছে, তাদের ফেরত নিতে আগ্রহী নয় নেপিদো।
বছর পেরিয়ে পরিবর্তন আসছে রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে।
ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ থেকে সরিয়ে তাদের নুতন ক্যাম্পে পুনর্বাসনে ব্যস্ত দেশি-বিদেশি সংস্থা।
কুতুপালং আশ্রয় শিবিরের পাশের ৫০০ একর জমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে বিদ্যুৎ সুবিধাসহ নতুন ঘর। সুপেয় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের সুব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।
তবে রোহিঙ্গারা ফিরতে চায় নিজভূমে। ফিরে পেতে চায় জমি, ঘর আর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। এক রোহিঙ্গা বাসিন্দা বলেন, এতো সুবিধা তাও আমার এখানে ভালো লাগে না। আমার মিয়ানমারে খুব যেতে ইচ্ছে করে। কেনই বা করবে না। আমার সবকিছু তো ওখানে ফেলে এসেছি।
অন্য এক রোহিঙ্গা বলেন, সুযোগ-সুবিধা তো পাচ্ছি, কিন্তু তারপরও দেশান্তরি। আমরা দেশে ফিরতে চাই। তবে অশান্তি থাকলে যাবো না।
রোহিঙ্গা বাসিন্দা বলেন, আমাদের রোহিঙ্গা স্বীকৃতি না দিলে জীবনেও যাবো না। স্বীকৃতি ছাড়া ওখানে ফিরে গেলে আমাদের আবার ওরা মারবে।
গত বছর ২৩ নভেম্বর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনে ঢাকা-নেপিদো চুক্তি হলেও এখনও শুরু হয়নি সে প্রক্রিয়া।
রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা সংশয়ে থাকলেও হাল ছাড়তে রাজি নয় বাংলাদেশ সরকার।
গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সামরিক বাহিনীর দমন অভিযানের মুখে সাড়ে ৯ লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে আশ্রয় নেয় কক্সবাজারে।
