সড়কে সিএনজি সিলিন্ডারযুক্ত গাড়ি, একেকটি চলন্ত বোমা

ফাতেহ ডেস্ক

তেল ছেড়ে সিএনজিতে রূপান্তরের মাধ্যমে কালো ধোঁয়ার হাত থেকে মুক্তি মিলেছে। তবে তদারকির অভাব আর পরিবহন মালিকদের উদাসীনতায় সিএনজিচালিত গাড়ির একটা বড় অংশই পরিণত হয়েছে চলন্ত বোমায়। বিস্ফোরক অধিদপ্তর বলছে, পুনঃপরীক্ষা বা রিটেস্টিং ছাড়াই সড়কে চলছে অন্তত ৩০ শতাংশ সিএনজি সিলিন্ডারযুক্ত গাড়ি।

তেজগাঁওয়ের এক কনভার্সন ওয়ার্কশপে দিনে গড়ে আটটি করে গাড়ির সিলিন্ডার পুনঃপরীক্ষা হয়। রাজধানীর প্রায় ৩৬ হাজার গাড়ি সিএনজিতে রূপান্তর হয়েছে এখানেই।

ওয়ার্কশপ কর্তৃপক্ষ বলছে, যেসব গাড়ি তারা সিএনজিতে রূপান্তর করেছেন, এর হাতেগোণা কটিই পুনঃপরীক্ষার জন্য এসেছে।

এ বিষয়ে দেশে কোনো আইন না থাকলেও, আছে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের বিধিমালা। সে অনুযায়ী ৫ বছরে একবার করাতে হবে সিলিন্ডারের পুনঃপরীক্ষা। তবে তা করা হচ্ছে কিনা– দেখছে না কেউ। রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান আরপিজিসিএল বলছে, বিস্ফোরণ-ঝুঁকিতে আছে অন্তত আড়াই লাখ গাড়ি।

মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডারযুক্ত গাড়ীকে শক্তিশালী বোমার সঙ্গে তুলনা করছেন বিস্ফোরক অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক।

সাধারণত গ্যাস ভরা অবস্থায় সিলিন্ডারগুলোতে চাপ থাকে ৩ হাজার পিএসআই। আর এসবে সক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়ে সাড়ে ৪ হাজার পিএসআই চাপ দিয়ে। সেই পরীক্ষায় টিকলেই ছাড়পত্র দেয়া হয় ৫ বছরের জন্যে।

আগের সংবাদখালেদা জিয়াকে নেয়া হবে কেরানীগঞ্জে
পরবর্তি সংবাদআফগানিস্তানে রেকর্ড সংখ্যক বেসামরিক নাগরিক নিহত