এফ আর টাওয়ার দুর্নীতিতে রাজউকের দুই সাবেক চেয়ারম্যান জড়িত

ফাতেহ ডেস্ক

এফ আর টাওয়ার নির্মাণে দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম ও নূরুল হুদার সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের অনুসন্ধান দল। এবিষয়ে দুদক অনুসন্ধান শেষ করেছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত হলেই মামলা হবে।

রাজধানীতে ভবন নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতির জলন্ত উদাহরণ এফ আর টাওয়ার। এর ১৫ তলা পর্যন্ত নির্মাণ হয়েছে আইন মেনে। তবে ১৫ থেকে ১৮ তলা পর্যন্ত তুলতে মানা হয়নি সিভিল এভিয়েশেনের নীতিমালা।

ভবনটির ১৮ থেকে ২৩ তলা করতে পরোয়া করা হয়নি কোনো আইনকানুনের। স্থপতির সই জাল করে তৈরি করা হয়েছে নকশা। আর এই দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেমের।

রাজউকের অনুমোদন নিয়ে ১৮ থেকে ২৩ তলা পর্যন্ত বন্ধক দিয়েছে মালিকপক্ষ। এই অনুমোদনের নথিতে সই পাওয়া গেছে রাজউকের আরেক সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল হুদার।

এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টা পাওয়া গেছে ভবন মালিক, সাবেক ও বর্তমান রাজউক কর্মকর্তাসহ আরো ২০ থেকে ২৫ জনের। কিন্তু তদন্তের স্বার্থে এখনই সবার নাম প্রকাশ করতে রাজি নয় দুদকের অনুসন্ধান দল।

ভবন নির্মাণে দুর্নীতি চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়া না গেলে ভবিষ্যতে অগ্নিকাণ্ডের মতো আরো অনেক দুঃখজনক ঘটনা ঘটবে বলে মনে করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারপারেন্সি বাংলাদেশ-টিআইবি।

এফ আর টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর রাজধানী জুড়ে অভিযান চালিয়ে সরকারি বেসরকারি ৪৭৫টি ভবনের কোনো নকশা পায়নি রাজউক। জরুরি অগ্নিনির্গমণ সিড়ি নেই এমন ভবন পেয়েছে ৫৬৬টি।

আগের সংবাদ‘বাংলাদেশ সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির দেশ’
পরবর্তি সংবাদআদালত স্থানান্তরের বিরুদ্ধে খালেদার রিটের শুনানি কাল