
ফাতেহ ডেস্ক
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ হামলার তদন্তে আনুষ্ঠানিক শুনানি শুরু হয়েছে। এতে, হত্যাকারীর সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের ধরণসহ বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হবে। এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ প্রচার বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আদায়ে এ সপ্তাহেই ফ্রান্সে একটি বৈঠকে যোগ দেবেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন।
মার্চে ক্রাইস্টচার্চের আল-নূর মসজিদ ও লিনউড মসজিদে নৃশংস হামলা থমকে দিয়েছিল গোটা বিশ্বকে। হামলার পরপরই দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন ঘোষণা দেন, এর তদন্ত করবে নিউজিল্যান্ডের রয়্যাল কমিশন। হামলা কীভাবে ঘটে এবং এ ধরণের হামলা প্রতিরোধে কী করা উচিত ছিল তা কমিশন খাতিয়ে দেখবে বলেও সেসময় জানান তিনি।
সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল সেই তদন্তের শুনানি। হামলাকারীর কর্মকাণ্ড, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ধরণ এবং আন্তর্জাতিক কোন গোষ্ঠীর সাথে যোগাযোগ ছিল কিনা ইত্যাদি বিষয়ে খতিয়ে দেখবে রয়্যাল কমিশন। এছাড়া, ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিরোধের উপায় কি, তা ঠিক করার ক্ষেত্রেও কমিশনের তদন্ত সহায়তা করবে বলে আশা আর্দার্নের।
প্রায় সাত মাস তদন্ত শেষে আগামী ১০ ডিসেম্বর সরকারের কাছে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে কমিশন।
এদিকে, ১৫ মার্চের সেই হত্যাযজ্ঞ টানা ১৭ মিনিট ধরে ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করেছিলেন হামলাকারী ব্রেন্টন টেরেন্ট। ওই সময় ভিডিওটি ৪০০০ বার দেখা হয়। ফলে, ফুটেজটি ফেসবুক থেকে সরাতে হিমশিম খায় কর্তৃপক্ষ।
এমনকি অসাবধানতাবশত ওই ফুটেজ নিজেও দেখেছেন বলে জানান জেসিন্ডা আর্দার্ন। আর সেজন্যই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এধরনের সন্ত্রাসবাদের প্রচার বন্ধে ফ্রান্সে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন তিনি। বিশ্ব নেতাদের পাশাপাশি ফেসবুক, গুগল, টুইটারসহ সংশ্লিষ্ট অনলাইন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বৈঠকে যোগ দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
