
ফাতেহ ডেস্ক
দ্বিতীয় ধাপের ১১৬ উপজেলায় ভোট কাল। তবে এ দফায় তিন পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন ৪৮ প্রার্থী। নিরাপত্তায় কাজ করছে আইনশৃংখলা বাহিনীর প্রায় দেড় লাখের মতো সদস্য। ৩ পার্বত্য জেলায় সেনা মোতেয়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। কমিশন সচিব জানিয়েছেন, ভোটে অনিয়মের প্রমাণ পেলে কড়া ব্যবস্থা নেয়া হবে জড়িতদের বিরুদ্ধে।
শুরুতে ১২৯ উপজেলায় নির্বাচনের কথা থাকলেও আদালতের নির্দেশে স্থগিত হয় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের ভোট। গোপালগঞ্জ সদর, টুংগিপাড়া, কোটালীপাড়া, কাশিয়ানি মুকসুদপুর উপজেলার ভোট হচ্ছে তৃতীয় ধাপে আর দিনাজপুর সদরের ভোট চতুর্থ ধাপে নেয়ার সিদ্ধান্ত কমিশনের।
এছাড়া নওগাঁ, পাবনা, ফরিদপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম সদর, হাতিয়া, মিরসরাই ও রাউজানের সব প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। এ কারণে সোমবার ভোট হচ্ছে ১১৬ উপজেলায়।
১১৬ উপজেলার মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় চেয়ারম্যান পদে ভোট হচ্ছে না ১৭টিতে। আর ভাইস চেয়ার পদে ৭ ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হচ্ছে না ৫ উপজেলায়। কমিশন বলছে, বেশ কিছু রাজনৈতিক দল ভোটে না আসায় সৃষ্টি হয়েছে এ পরিস্থিতির।
এ ধাপের ভোটে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩৬৪, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ৫৪১ এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ৩৯৪ জন। আর ভোটার ১ কোটি ৭৯ লাখ ৯ হাজারের বেশি। কেন্দ্র ৭ হাজার ৩৯টি।
নিরাপত্তায় মাঠে থাকছেন দেড় লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে থাকছে র্যাব-বিজিবি। ৩ পার্বত্য তিন জেলায় মোতায়েন থাকছে সেনাবাহিনী। বিধি ভঙ্গের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কাজ করেছেন আড়াইশোর বেশি ম্যাজিস্ট্রেট।
ভোট সুষ্ঠু করতে কর্মকর্তাদের প্রভাবমুক্ত থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ কমিশনের। অনিয়মের প্রমাণ পেলে দেয়া হয়েছে কড়া ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি।
নির্বাচন উপলক্ষে যানবাহন চলাচলে বিধি নিষেধ থাকায়, তিন পার্বত্য জেলা, সিলেট ও মৌলভীবাজারে পর্যটন নিরুৎসাহিত করেছে কমিশন।
