
ফাতেহ ডেস্ক
রমজান উপলক্ষে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি এই তিন মাসেই ১২ লাখ মেট্রিকটন ভোগ্যপণ্য আমদানি করেছেন ব্যবসায়ীরা। যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি। যার ফলে রোজায় তেল, চিনি, ডাল ও ছোলাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্বাভাবিক থাকবে বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, সামনে আরো আমদানি হবে। তাই পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত থাকলে দাম বাড়বে না বলেও আশ্বস্ত করেন তারা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, গেলো বছর রমজানের আগের তিন মাস ও এ বছরের একই সময়ে আমদানি বেড়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ। তাই ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ার সুযোগ নেই বলে জানান কেন্দ্রীয় বাংকের নির্বাহী পরিচালক।
রমজান এলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় নামেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এতে চড়া মূল্যের বাজারে ভাগান্তি বাড়ে সাধারণ মানুষের। তবে এবার তেমন পরিস্থিতি হবে না বলছেন ব্যবসায়ীরা।
রমজান উপলক্ষে এরই মধ্যে আমদানি হয়েছে ১২ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন পণ্য। যা গতবারের চেয়ে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন বেশি। এর মধ্যে তেল প্রায় ২ লাখ টন, চিনি ৭ লাখ ৮৫ হাজার, মসুর ডাল ৯৪ হাজার, ছোলা ৭৮ হাজার, পেঁয়াজ ৩৪ হাজার ৩শো ৭৯ এবং খেজুর প্রায় ১৪ হাজার টন।
আর ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে ডালের মৌসুম হওয়ায় বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। সেইসঙ্গে আমদানি বাড়ায় স্বাভাবিক থাকবে দাম। এদিকে, আমদানি শুল্ক বাড়ায় কিছুটা বেড়েছে চিনির দাম। তবে পর্যাপ্ত মজুত থাকায় তেলের বাজার স্বাভাবিক থাকবে বলছেন ব্যবসায়ীরা।
তবে অতি মুনাফার লোভে কেউ যাতে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে না পারে সে জন্য নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা।
-এ
