আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
রোহিঙ্গা নিপীড়নের পূর্ণ অনুসন্ধান শুরু করার পক্ষে ১৬টি ভিডিওসহ বেশ কিছু অভিমত আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালতে (আইসিসি) জমা দেয়া হয়েছে।
আইসিসির রেজিস্ট্রারের পক্ষে জুডিশিয়াল সার্ভিস ডিভিশনের পরিচালক মার্ক ডুবিসন এক আবেদনে বলেছেন, ‘গোপনীয়’ আকারে ওই ভিডিওগুলো আইসিসির রেজিস্ট্রারের কাছে পাঠানো হয়েছে। ভিডিওগুলোর মাধ্যমে আইসিসিতে প্রতিনিধিত্ব করতে ইচ্ছুক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের (রোহিঙ্গাদের) পরিচয় জানাজানি হয়ে যেতে পারে। এ কারণে ভিডিওগুলো আদালতের বিধান অনুযায়ী ‘গোপনীয়’ আকারেই চিহ্নিত করা হয়েছে।
নেদারল্যান্ডসের হেগে আইসিসির প্রাক-বিচারিক আদালত-৩-এর কাছে গত বৃহস্পতিবার ওই আবেদন উপস্থাপন করা হয়।
রোহিঙ্গাদের মিয়ানমার থেকে গণবাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আসার বিষয়টি পূর্ণ অনুসন্ধান শুরু করতে আইসিসির কৌঁসুলি ফাটু বেনসুডা গত আগস্টে আইসিসিতে আবেদন করেছিলেন। ওই আবেদন নিষ্পত্তির জন্য আইসিসির প্রেসিডেন্ট প্রাক-বিচারিক আদালত-৩কে দায়িত্ব দেন। আইসিসির কৌঁসুলির আবেদনের বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা বা তাদের প্রতিনিধির স্বেচ্ছায় অভিমত জানানোর শেষ সময় ছিল গত ২৮ অক্টোবর। এর আগে বেশ কিছু অভিমত আইসিসি প্রকাশ করলেও ১৬টি ভিডিওতে রোহিঙ্গাদের জবানবন্দি ‘গোপনীয়’ আকারেই রাখা হয়েছে।
জানা গেছে, আইসিসির রেজিস্ট্রারের দপ্তর ওই ১৬টি ভিডিও গ্রহণ করার পর সেগুলো ‘ট্রিম কনটেইনারে’ ভরে আইসিসির প্রাক-বিচারিক আদালত-৩-এর কাছে পাঠিয়েছে। আইসিসির রেজিস্ট্রারের পক্ষে জুডিশিয়াল সার্ভিস ডিভিশনের পরিচালক মার্ক ডুবিসন এ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা বা তাদের প্রতিনিধিদের ৮৫টি অভিমত ফরম প্রাক-বিচারিক আদালত-৩-এ উপস্থাপন করেন। সেগুলোর পাশাপাশি সার্বিক পরিস্থিতি আমলে নিয়ে ওই আদালত আইসিসির কৌঁসুলির আবেদনের বিষয়ে (পূর্ণ অনুসন্ধান শুরুর অনুমতি) সিদ্ধান্ত দেবেন।
