
ফাতেহ ডেস্ক
সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে শ্রীলংকা সরকার দেশটিতে মুসলিম নারীদের পোশাক বোরকা নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছে ডেইলি মিরর।
সম্প্রতি ইস্টার সানডের দিনে দেশটির গির্জা, হোটেলসহ কয়েকটি স্থানে বোমা হামলা হয়। লংকান গোয়েন্দাবাহিনী দাবী করেন, এই হামলার সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমান নারীদের সংশ্লিষ্টতা ছিল। ফলে নিরাপত্তার স্বার্থ দেখিয়ে হিজাব নিষিদ্ধকরণের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে লংকান প্রশাসন৷ এবং এই বিষয়ে তারা শ্রীলংকার মসজিদ অথরিটির সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে একটি সূত্র থেকে জানা যায়।
গত সোমবার লংকার সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মৃত্রিপালা সিরিসেনার সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করেন। এবং সেখানে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে উপসাগরীয় যুদ্ধ পর্যন্ত বোরকা ও হিজাব মুসলিম নারীর ঐতিহ্যগত পোষাকের অংশ ছিল না। ফলে নতুন করে তা নিষিদ্ধ করাতে দেশটির আইন বিভাগের বিশেষ কোন কাঠখড় পোড়াতে হবেনা।
কাগজপত্রের খবর অনুযায়ী, চাদ, ক্যামেরুন, গাবন, মরক্কো, অস্ট্রিয়া, বুলগেরিয়া, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, জিনজিয়াং এবং দক্ষিন-পূর্ব চীনের কিছু অংশের মুসলিম সম্প্রদায়ের নারীদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে তাদের ওপর বোরকা ও হিজাব নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
শ্রীলংকায় এই আইন কতটা নিরাপত্তার স্বার্থে, নাকি এর পেছনে রয়ে গেছে দীর্ঘ মেয়াদি মুসলিম বিদ্বেষী স্বার্থান্ধ মহলের চক্রান্ত, তা সময়ই বলে দিবে৷ তবে নির্দিষ্ট পোষাক-পরিচ্ছদের ওপর চাপ প্রয়োগ করাকে ভাল দৃষ্টিতে দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা৷
সূত্র : ডেইলি মিরর
