দ্রুত ঘরবাড়ি ও বেড়িবাঁধ সংস্কারের আশ্বাস ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর

ফাতেহ ডেস্ক

ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতে উপকূলীয় এলাকায় বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এসব এলাকায় খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। অনেক জায়গায় ত্রাণ পৌছালেও তা অপ্রতুল বলছেন দুর্গতরা। তবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দ্রুত ঘরবাড়ি ও বেড়িবাঁধ সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান।

ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতে লক্ষ্মীপুরের রামগতির চর আলগী, চর আবদুল্লাহ ও চর রমিজসহ জেলার বিভিন্ন স্থানের ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। সব কিছু হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটছে ঘরহারা মানুষের।

ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে পুনর্বাসনের কথা জানিয়েছে প্রশাসন। সরকারি হিসেবে নোয়াখালী সদর, সুবর্ণচর ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় সাতশো বাড়ি পুরোপুরি এবং সাড়ে তিনশো বাড়ি আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এক হাজারেরও বেশি পরিবার। চাহিদার তুলনায় সহায়তা অপ্রতুল বলে অভিযোগ তাদের।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে অস্থায়ীভাবে নিকটস্থ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যেক পরিবারকে ২০ কেজি করে চাল ও নগদ টাকা দেয়ার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সড়ক থেকে গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি সরানোর কাজ চলছে। অস্থায়ী আশ্রয় শিবির খোলা হলেও সেখানে যেতে আগ্রহী নয় ক্ষতিগ্রস্তরা। দুর্গত প্রত্যেক পরিবারের জন্য নগদ সহায়তা ও ২ বান্ডিল করে ঢেউটিন বরাদ্দ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

পটুয়াখালীতের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামিম। এসময় দ্রুত বেড়ি বাধ সংস্কারের আশ্বাস দেন তিনি। এদিকে, সাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি দ্রুত সংস্কার করা হবে বলে জানান ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান।

চাঁদপুরে ঘূর্ণিঝড়ে আহতদের চিকিৎসা সেবা দেয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী ও কোস্টগার্ড।

আগের সংবাদনির্বাচনী প্রচারণায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী লাঞ্ছিত
পরবর্তি সংবাদএসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল জানবেন যেভাবে