
ফাতেহ ডেস্ক
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির কে মনোনয়ন পাচ্ছেন তা নিয়ে অন্ধকারে দলটির অনেক নেতা। সোমবার মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার শেষ দিন হলেও দলে এনিয়ে এখনো কোন আলোচনা হয়নি। তবে বেশীর ভাগের পছন্দ দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ সম্পাদক রুমিন ফারাহানা।
একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন সোমবার। কিন্তু বিএনপির পাওনা একমাত্র আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি দলটি।
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় রয়েছেন নেতাদের পছন্দের তালিকায়।
বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন এ বিষয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশ সংসদ পরিক্রমা সম্পর্কে তার একটি ধারণা থাকতে হবে। আমি মনে করি আইনজীবীদের মধ্য থেকে একজনকে নিলে ভালো হয়।’
গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘কার বউ কি পরে সেটা দেখে নেয়া টা ভুল কাজ হবে। রুমিন একজন ব্যারিস্টার, তিনি বিভিন্ন আলোচনা সভায় যুক্তি দিয়ে কথা বলতে পারেন।’
তাদের নিয়ে আলোচনা হলেও দলীয় কোন নির্দেশনা পাননি কেউই। কেউ সংগ্রহ করেননি দলীয় মনোনয়নফরমও।
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ বলেন, ‘নেত্রীকে মুক্ত করার জন্য এবং জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য যদি কোনো ভূমিকা রাখার সুযোগ হয় তাহলে আমি অবশ্যই রাখব।’
বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, ‘প্রত্যেকটা নেতা-নেত্রীর যার যার অবস্থান থেকে দলের প্রতি অবদান আছে। তাদের ত্যাগ আছে। এই ত্যাগ ও অবদানকে দল অবশ্যই মূল্যায়ন করবে।’
বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় বলেন, ‘দলের নেত্রী ও তারেক রহমান সাহেব যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন তাহলে আমি সংসদে যেয়ে বাংলাদেশের জনগণের কথা বলবো।’
এদিকে, বিএনপি বলছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘নিবেদিতপ্রাণ অনেক নেতা-কর্মী আছেন। কাকে মনোনয়ন দেয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো নেয়া হয়নি। তবে সহসাই দলের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত দেয়া হবে।
একাদশ জাতীয় সংসদে বিএনপির আসন ৫টি, সে অনুপাতে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের একটি পাবে দলটি।
