
ফাতেহ ডেস্ক
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের দায়ে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) চেয়ারম্যান শ্রীমৎ ভবিচারু স্বামীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে সিএমএম আদালতে করা মামলা খারিজের আদেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদ। আজ বুধবার বিকালে তিনি এ আদেশ দেন। এর আগে আজ সকালে এই আদালতে যাত্রাবাড়ি মাদরাসাতুত তাকওয়ার মুহতামিম ও দেশখ্যাত ওয়ায়েজ মাওলানা হাবিবুর রহমান মিসবাহ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় ইসকনের সেক্রেটারি চারুচন্দ্র দাস চারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জগৎ গুরু গৌরাঙ্গ দাস ব্রহ্মচারী, শ্রী পাদ লিলারাজ গৌরদাস ব্রহ্মচারী (চট্টগ্রাম শ্রীকৃষ্ণ মন্দির), শ্রী পাদ দারুব্রহ্ম জগন্নাথ দাস ব্রহ্মচারী, পাণ্ডপ গোবিন্দ দাস ব্রহ্মচারী, রমেশ্বর পরমাত্মা দাস, দারু ব্রহ্ম জগন্নাথ দাসকে আসামি করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩০ জুলাই স্বামীবাগের প্রায় ৫০০ বছরের পুরোনো একটি মসজিদে মুসল্লিদের ওপর হামলা চালায়। ইসকন সদস্যরা ওই দিন ভোর ৪টা থেকে শুরু করে রাত ১২টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করে উচ্চ শব্দে এলাকা কাঁপিয়ে ঢোল-বাদ্য বাজায়। শুধু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় ঢোল –বাদ্য বন্ধ রাখার অনুরোধ করলে ইসকনের নেতারা খারাপ ব্যবহার করেন। একপর্যায়ে পুলিশ ও র্যাব এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ৮ জুলাই হতে ১৬ জুলাই সকাল ৯টা থেকে স্কুল চলাকালীন চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল, চট্টগ্রাম সরকারি বিদ্যালয়সহ ৩০টি স্কুলের কোমলমতি শিশু, কিশোর-কিশোরী শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেবতাদের নামে উৎসর্গকৃত খাদ্য সামগ্রী বিতরণের সময় ‘হরে কৃষ্ণ হরে রাম’ মন্ত্র পাঠে বাধ্য করে। যা বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়। এতে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে এবং বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে ধর্মীয় অঙ্গনে এ নিয়ে তুমুল সমালোচনা এবং প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।
