আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও নাগরিকপঞ্জি নিয়ে স্কুলে নাটক মঞ্চস্থ করায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় দেশদ্রোহিতার মামলা করা হয়েছে। গত ২১ জানুয়ারি কর্ণাটকের বিদার জেলার শাহিন এডুকেশন ইনস্টিটিউটে এই নাটকটি মঞ্চস্থ করা হয়। খবর ভারতীয় দৈনিক আজকাল।
খবরে বলা হয়, সিএএ, এনআরসি, এনপিআর কী? কেনই বা দেশজুড়ে এত বিক্ষোভ? পড়ুয়াদের এই বিষয়ে অবগত করতে একটি নাটক মঞ্চস্থ করা হয় গত ২১ জানুয়ারি কর্ণাটকের বিদার জেলার শাহিন এডুকেশন ইনস্টিটিউটে। তাতে অংশ নেয় চতুর্থ, পঞ্চম এবং ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা। নাটকের বিষয় ছিল সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও নাগরিকপঞ্জি। এরপরই নাটকের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তারপরই ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় দেশদ্রোহিতার অভিযোগ জমা পড়ে।
অভিযোগের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। স্কুলের ছাত্রছাত্রীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কিন্তু এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা আতঙ্কে ভুগছে বলে জানিয়েছেন শাহিন এডুকেশন ইন্সটিটিউটের সিইও থাউসেফ মাধিকেরি।
ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্টকে তিনি বলেন, ‘এর ফলে স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা মানসিকভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছে। স্কুলের কন্ট্রোল রুম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের জেরা করছে পুলিশ। পঞ্চম ও ষষ্ঠ শ্রেণির পড়ুয়ারা নাটক করেছিল। কেউ তার ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে দেন। এখন আমাদের উপর হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ উঠছে। প্রধানমন্ত্রীকে বিদ্রুপ করার অভিযোগ উঠছে।’
স্কুল কর্তৃপক্ষ স্থানীয় আদালতের থেকে জামিন নেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি।
