শতবর্ষ পূর্ণ করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগ

ফাতেহ ডেস্ক:

১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে কয়টি বিভাগ নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য ও উর্দু তার অন্যতম। উর্দু বিভাগ (পূর্ব নাম ফার্সী ও উর্দু) ১লা জুলাই ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন ফার্সিতে স্নাতকোত্তর এবং উর্দু সাবসিডিয়ারি হিসেবে শিক্ষাদান করা হত। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর উর্দুতে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর কোর্স শুরু হয়।

এই বিভাগের প্রথম বিভাগীয় প্রধান খান বাহাদুর ফিদা আলী খান। বিভাগের উল্লেখযোগ্য শিক্ষকের মধ্যে ছিলেন ড: আন্দালিব শাদানী, ডঃ শওকত সবজওয়ারী, ড. হানিফ আফতাব আহমেদ সিদ্দিকী। বাংলাদেশে ফার্সি ও উর্দু চর্চা এবং এর বিশাল ও বৈচিত্র্যময় সাহিত্য ভাণ্ডার থেকে রস আস্বাদনের ক্ষেত্রে এ বিভাগটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ২০০৭ সাল থেকে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ আলাদা বিভাগ নামে কার্যক্রম শুরু করে।

বর্তমানে বিভাগের মধ্যে ৯ জন পূর্ণকালীন শিক্ষক ও ৬ জন খণ্ডকালীন শিক্ষক পাঠদান করছেন। পূর্ণকালীন শিক্ষকদের মধ্যে ৪ জন অধ্যাপক, ২ জন সহযোগী অধ্যাপক, ৩ জন সহকারী অধ্যাপক।

Image may contain: text that says "DEARTHENT আলো OF URDU Head the Department (Established: Persian Head) Prof. Aftab 01.07.1921 -30.06. 1935 01.07.1935 1942 01.07.1942 1943 1944 1969 Shadani Siddiqui Chair Chaudhury RustamAl Muhammad Abdullah Kulsoom Mazumder 17.12.1971 30.06.197 01.07.1976 30.06. 01.07.1979 01.07.1982 Muhammad Abdullah Kaniz- E-Butool Mrs. Zeenat Shirazi Kulsoom Musa Zafar 30.06.1991 01.07. 01.07.1994 02.07. 1994 Billah 2000 30.08. 2002 30.08.2005 29.08 2005 Department UmmeSalma Kaniz- Acting) Mohammad Dr. Israfil Dr. Ahmad Rabbani 11.11.2014 2014 11.11.2017 12.11.2017"

বিভাগের শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার পাশাপাশি সাহিত্য বিষয়ক প্রতিযোগিতা, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন খেলাধুলা যেমন ফুটবল, ক্রিকেট, বাস্কেটবল ইত্যাদি খেলায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করে। বিভাগের একটি সেমিনার লাইব্রেরি ও একটি কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে। বিভাগ সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে বার্ষিক বনভোজন করে।

‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি জার্নাল অফ উর্দু’ নামে একটি বার্ষিক জার্নালও বিভাগ প্রকাশ করে।

No photo description available.

আগের সংবাদচলতি বছরের শিক্ষাবৃত্তি ঘোষণা করেছে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ
পরবর্তি সংবাদবাংলাদেশে কেন নবজাতককে ফেলে দেয়ার ঘটনা বাড়ছে?