
ফাতেহ ডেস্ক: পাল্টে গেছে বিআরটিএর মিরপুর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের চিত্র। দালালমুক্ত পরিবেশ থাকায় নেই কোন ভোগান্তি। বিআরটিএ বলছে, অন্যান্য সময়ের চেয়ে লাইসেন্স নবায়ন ও নিবন্ধনের আবেদন বেড়েছে দ্বিগুণ। চাপ সামলাতে কর্মঘণ্টা বাড়িয়েছে বিআরটিএ।
মিরপুর বিআরটিএ কার্যালয়ের প্রতিটি কাউন্টারে ভিড়। সকাল থেকেই গাড়ির লাইসেন্স করাতে আসা আগ্রহীদের লম্বা সারি।
লাইসেন্সের আবেদন, নবায়ন, মালিকানা পরিবর্তন, ফিটনেস পরীক্ষা, ট্যাক্স পরিশোধের জন্য গাড়ির চালক থেকে মালিক ছুটছেন বিআরটিএ কার্যালয়ে।
নেই কোনো দালালের দৌরত্ব। পাল্টে গেছে বিআরটিএর চিরচেনা চেহারা। বিআরটিএ’র এমন পরিবেশ সারা বছর চায় সেবা প্রত্যাশিরা।
গাড়ির ফিটনেস ও রেজিস্টেশনের জন্য যানবাহনের দীর্ঘ লাইনও চোখে পড়ার মতো। কর্মকর্তারা বলছেন, অন্যান্য সময় ফিটনেস পরীক্ষার জন্য দিনে ৭০টি গাড়ি আসত। কিন্তু এখন প্রতিদিন গাড়ি আসছে এর দ্বিগুণেরও বেশি।
পুলিশ ও বিআরটিএ’র অভিযানের কারণে লাইসেন্স প্রত্যাশীদের চাপ বেড়েছে। শিক্ষানবীশ ও নবায়নকারীদের সংখ্যাই বেশি। বাড়তি চাপ সামলাতে সকাল নয়টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত একটানা কাজ করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সরকারি ছুটির দিন শনিবারও খোলা থাকবে কার্যালয়। মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ সেবা।
