
ফাতেহ ডেস্ক: ট্যানারি মালিকরা বকেয়া পরিশোধ না করায় বিপাকে যশোর, রাজশাহী, নাটোর ও ফেনীর চামড়া ব্যবসায়ীরা। এছাড়া, চামড়ার দাম কম আর লবণের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের মাথায় ভর করেছে বাড়তি দুঃশ্চিন্তা। আর্ন্তজাতিক বাজার মন্দা থাকায় এখনো বিক্রি হয়নি গত বছরের চামড়া। এ অবস্থায় বিপুল পরিমাণ চামড়া ভারতে পাচার হতে পারে বলে আশংকা ব্যবসায়ীদের।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এবার একশো কোটি টাকার চামড়া বেচাকেনার লক্ষ্য যশোরের চামড়া ব্যবসায়ীদের। তাদের অভিযোগ বকেয়া পরিশোধ করছেন না ট্যানারি মালিকরা। এছাড়া চামড়ার দাম কমায় ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ ব্যবসায়ীরা।
চামড়া কেনার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকে ঋণের আবেদন করেও ব্যর্থ হচ্ছেন প্রান্তিক ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, এই সুযোগে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।
রাজশাহীতে ট্যানারি মালিকদের কাছে প্রায় ১২ কোটি টাকা বকেয়া থাকায় অর্থ সংকটে ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ীরা। এছাড়া চামড়ার দাম কম আর পরিবহন, শ্রমিক ও প্রক্রিয়াজাত খরচ বাড়ায় তাদের লোকসানের আশংকাই বেশি।
নাটোরে ট্যানারি মালিকরা দাম কমিয়ে আনায় ভারতে চামড়া পাচারের আশংকা ব্যাবসায়ীদের। চামড়া শিল্পে অর্থ সংকট কমানোসহ পাচার রোধে সরকারের সঠিক পদক্ষেপের দাবি তাদের।
অপরদিকে ফেনীতেও চামড়া পাচারের শংকা ব্যবসায়ীদের। তবে বিজিবি বলছে, সীমান্তে তারা কঠোর নজরদারি করছে।
