
ফাতেহ ডেস্ক
সীতাকুণ্ড থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) তিনজন পুলিশ সদস্য এক নারীকে ইয়াবা মামলায় ফাঁসিয়েছে। চট্টগ্রামে এ নারীকে ধর্ষণের পর একটি নির্জন স্থানে ফেলে যাওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে ওই নারীর কাছে ইয়াবা পাওয়া গেছে জানিয়ে একটি সাজানো মামলা করে।
সেই মামলায় চার মাসের সাজাও ভোগ করেন ওই নারী। সাজানো মামলাটি করে তাদের সহযোগিতা করেন ওই নারীর স্বামীর প্রথম স্ত্রীর সন্তানসহ ১৩ জন।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এবং চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের তদন্তে বিষয়টি উঠে এসেছে বলে প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনে জানা যায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গেছে, গত বছরের ২৯ আগস্ট বিকেলে ওই নারীকে নিয়ে তার স্বামী হালিশহর থানায় যান। স্বামী অভিযোগ করেন, তাঁর প্রথম স্ত্রীর সন্তানেরা দ্বিতীয় স্ত্রীকে নানাভাবে লাঞ্ছিত করছেন এবং ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন।
এই অভিযোগ করে তিনি সন্ধ্যায় স্ত্রীকে বাসায় রেখে দোকানে যান। রাতে ফিরে দেখেন বাসার জিনিসপত্র এলোমেলো, স্ত্রী নেই। পরদিন দুপুরে খবর পান, ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়ে তার স্ত্রী সীতাকুণ্ড থানায়। পুলিশের করা মাদক মামলায় কারাগারে যান স্ত্রী।
এরপর স্ত্রীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে আদালতে মামলা করেন স্বামী। আদালত ডিবি পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
জানুয়ারির শুরুতে জামিনে মুক্তি পান। ওই নারী বলেন, ‘ধর্ষণ করেও ওরা থেমে থাকেনি। পুলিশের সহায়তায় ইয়াবা দিয়ে মামলা করেছে। আমি তাদের এমন শাস্তি চাই, যাতে কোনো মেয়ের জীবন এভাবে কেউ তছনছ করতে না পারে।
