
ফাতেহ ডেস্ক:
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
দ্বিপাক্ষিক কূটনীতি দিয়ে এ সমস্যার সমাধানে তারা খুব বেশি আশাবাদী নন। প্রয়োজনে প্রত্যাবাসন চুক্তিতে সংশোধনী এনে তা বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মপরিধি বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন তারা।
মূলত নাগরিকত্বের বিষয়টি অমীমাংসিত থাকায়, রাখাইনে ফিরে যেতে রাজী হচ্ছেন না বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা।
গত ১৫ নভেম্বের ৩০ পরিবারের দেড়শ রোহিঙ্গা ফিরে যাওয়ার মধ্য দিয়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা ভেস্তে যায়। তালিকাভুক্ত একজন রোহিঙ্গাও নিজ দেশে ফিরতে রাজি হননি। রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেয়াসহ তাদের পুনর্বাসনের নিশ্চয়তা তৈরি না করায় এ ঘটনার দায় মিয়ানমারের বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া নতুন করে শুরু করতে এ সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে সংশোধনী আনার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্লেষকেরা। একই সাথে রাখাইন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষনে রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধি পাঠানোর জাপানি প্রস্তাবকেও স্বাগত জানিয়েছেন তারা।
রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনে উৎসাহী করতে রাখাইনে গণহত্যায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করার জরুরি বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
